1. jitsolution24@gmail.com : admin :
  2. support@wordpress.org : Support :
শুক্রবার, ০৭ অক্টোবর ২০২২, ০১:৫২ পূর্বাহ্ন

৫০% আসন খালি রেখে হোটেল খোলার অনুমতি চান মালিকরা

বিশেষ প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : শনিবার, ২২ মে, ২০২১
  • ২৭১ Time View

স্বাস্থ্য বিধি মেনে ৫০ শতাংশ আসন খালি রেখে হোটেল-রেস্তোরা চালু রাখতে চান রেস্তোরাঁ মালিক সমিতি। আর সম্ভব হয় তাহলে স্বাভাবিক নিয়মে পুরোদমে রেস্তোরাঁ চালু রাখতে চান।

শনিবার (২২)  রাজধানীর বিজয়নগরে সংগঠনের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সরকারের কাছে এই দাবি তুলে ধরেন সমিতির মহাসচিব ইমরান হাসান।

লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন,  হোটেল-রেস্তোরাখাতে কর্মরত শ্রমিকদের মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে প্রণোদনা দিতে হবে। অথবা নিদিষ্ট কার্ড প্রদানের মাধ্যমে মাসিক খাদ্য সহায়তা প্রদান করতে পারে সরকার। যদিও এখন পর্যন্ত এখাতের শ্রমিকদের কোনো প্রণোদনা দেয়নি সরকার।

হোটেল- রেস্তোরাঁ ব্যবসা চলমান রাখার জন্য ক্যাপিটাল হিসেবে এসএমই খাত হতে বিনাসুদে জামানত বিহীন স্বল্প ও দীর্ঘ মেয়াদি ঋণ প্রদান করতে হবে।  জরিমানা ছাড়া করোনাকালীন বিদ্যুৎ, গ্যাস, পানির বিল পরিশোধের সময় দিতে হবে।  ঢাকাসহ সারাদেশে বাড়িভাড়া মওকুফ ও পরিশোধে সময় দিতে হবে।

সেবাখাত হিসেবে হোটেল-রেস্তোরার শ্রমিক-মালিকদের করোনা যোদ্ধা ও ফ্রণ্টলাইনার ঘোষনা এবং অগ্রাধিকার ভিত্তিতে টিকা প্রদানে সরকারের নির্দেশনা চায় সংগঠনটি।

চলমান কোভিড-১৯ মহামারীর মধ্যেও ভ্যাট-ট্যাক্স আদায়ে হোটেল মালিকদের উপর অসহনীয় আচরণ থেকে পরিত্রাণ প্রার্থনা করেছেন নেতারা। বর্তমানে চালু হোটেলগুলোতে টেকওয়ে, পার্সেল ও অনলাইন ডেলিভারির সংখ্যা মাত্র ২-৩ শতাংশ।  অনলাইন ডেলিভারির সুযোগ দিয়ে রেস্তোরাঁ বন্ধ রাখা দুরভিসন্ধিমূলক।  এখানে দেশি-বিদেশি স্বার্থন্বেষী মহলের হাত রয়েছে, বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে খতিয়ে দেখা উচিত।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, মহামারী করোনার কারণে এ পর্যন্ত ৩০ শতাংশ হোটেল-রেস্তোরা বন্ধ গেছে। একই সময়ে আর্থিক সংকটে ৫০ শতাংশ হোটেল-রেস্তোরার মালিকানা বদল হয়ে গেছে। আর ক্ষতি হয়েছে  ৫০-৬০ হাজার কোটি টাকা।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে জানানো হয়, গেলো বছরে করোনার সাধারণ ছুটির পর দেশের স্বনামধন্য হোটেলগুলোর কাস্টমার ৭৫ শতাংশ ফিরেছিল।  আর  বাকি হোটেলগুলোর কাস্টমার ফিরেছিল ৫০ শতাংশ। হোটেল-রেস্তোরাঁ ব্যবসায় ৩০ শতাংশ কর্মচারী ও ২ কোটি মানুষের জীবিকা নির্বাহ করেন। করোনার ক্ষতি কাটিয়ে ওঠার জন্য সরকার অন্যান্য সকলখাতের জন্য সহায়তা, প্রণোদনা দিলেও হোটেল-রেস্তোরার জন্য কিছুই করেনি।

এসময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ রেস্তোরাঁ মালিক সমিতির সভাপতি, উপদেষ্টাসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

 

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2022