ঢাকা || ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

সামাজিক দায়বদ্ধতা ও পারিবারিক মর্যাদা রক্ষায় ইসলামী ব্যাংকের ব্যতিক্রমী সঞ্চয় স্কিম

সামাজিক দায়বদ্ধতা ও পারিবারিক মর্যাদা রক্ষায় ইসলামী ব্যাংকের ব্যতিক্রমী সঞ্চয় স্কিম

ব্যাংক ইনফো

প্রকাশিত: ২২:১৪, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

আস্থা ও কল্যাণের দীর্ঘ পথচলায় ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি সবসময়ই মানুষের প্রয়োজনকে অগ্রাধিকার দিয়ে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় মুদারাবা ওয়াকফ ক্যাশ জমা হিসাব, বিবাহ সেভিংস ও মোহর সেভিংস—এমন অনন্য উদ্ভাবনের মাধ্যমে ব্যাংকটি লাখো মানুষের নিরাপদ, শারী’আহসম্মত ও মর্যাদাপূর্ণ ভবিষ্যৎ নির্মাণে সহায়ক ভূমিকা রাখছে।

মুদারাবা ওয়াকফ ক্যাশ জমা হিসাব একটি স্থায়ী সাদাকায়ে জারিয়াহ। এতে দানকৃত মূলধন সংরক্ষিত রেখে অর্জিত মুনাফা শারী’আহসম্মতভাবে মানবকল্যাণে ব্যয় করা হয়। মুদারাবা নীতিতে পরিচালিত এই হিসাবে ব্যাংকের নির্ধারিত খাত কিংবা হিসাবধারীর পছন্দ অনুযায়ী মুনাফা ব্যয়ের নির্দেশনা দেওয়া যায়। হিসাবের বর্ষপূর্তিতে মুনাফা প্রদান করা হয়; তবে চাইলে মাসিক প্রাক্কলিত মুনাফাও গ্রহণ করা সম্ভব। ১৮ বছর ও তদূর্ধ্ব যে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান ন্যূনতম ১,০০০ টাকা জমা দিয়ে এককালীন বা কিস্তিতে দান সম্পন্ন করতে পারেন; নাবালকের ক্ষেত্রে অভিভাবক হিসাব খুলতে পারবেন।

মুদারাবা বিবাহ সেভিংস অ্যাকাউন্ট বিবাহের খরচ নির্বাহে সহায়ক একটি মাসিক কিস্তিভিত্তিক সঞ্চয় হিসাব। প্রাপ্তবয়স্ক যুবক বা অভিভাবকরা ৫০০ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ৫০,০০০ টাকা পর্যন্ত মাসিক কিস্তি নির্ধারণ করতে পারেন। মেয়াদ ৩ থেকে ৫ বছর। বছরে দুইবার প্রাক্কলিত মুনাফা প্রদান এবং বছর শেষে চূড়ান্ত সমন্বয় করা হয়।

মুদারাবা মোহর সেভিংস অ্যাকাউন্ট স্ত্রীর মোহর পরিশোধকে পরিকল্পিত ও সহজ করে। পেশাজীবী, চাকরিজীবী, ব্যবসায়ী কিংবা প্রবাসী পুরুষরা ৫০০ থেকে ৫,০০০ টাকা মাসিক কিস্তিতে ৫ বা ১০ বছরের মেয়াদে হিসাব খুলতে পারেন। হিসাব স্ত্রীর নামেও খোলা যায়; অবিবাহিত পুরুষরা নিজ নামে খুলতে পারবেন। কাবিননামায় উল্লেখিত মোট মোহর, পরিশোধিত ও পরিশোধযোগ্য অংশ বিবেচনায় নিয়ে মাসিক হার নির্ধারণ করা হয়।

সব হিসাবের মাসিক কিস্তি সেলফিন, আই-ব্যাংকিং বা শাখা/উপশাখা/এজেন্টে স্পেশাল ইনস্ট্রাকশনের মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে জমা দেওয়ার সুবিধা রয়েছে। জাতীয় পরিচয়পত্র ও ছবি থাকলেই শাখা, উপশাখা, এজেন্ট আউটলেট কিংবা সেলফিন অ্যাপের মাধ্যমে ঘরে বসে হিসাব খোলা সম্ভব।

প্রযুক্তির উৎকর্ষ ও আমানতদারিতার মেলবন্ধনে ইসলামী ব্যাংক কেবল একটি আর্থিক প্রতিষ্ঠান নয়—বরং ধর্মীয় ও সামাজিক দায়বদ্ধতা পূরণের এক বিশ্বস্ত ঠিকানা। ইহকালীন স্বাচ্ছন্দ্য ও পরকালীন কল্যাণের এই অনন্য সমন্বয়ই যুগের পর যুগ গ্রাহকদের আস্থার কেন্দ্রবিন্দুতে ইসলামী ব্যাংককে সুদৃঢ় অবস্থানে রেখেছে।

city-bank
city-bank